রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের এক ছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে তাঁকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (রামেক) নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত ছাত্রী লামিসা নওরিন পুষ্পিতা, তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৪/২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। তিনি ঝিনাইদহ জেলার বাসিন্দা।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বিকেলে সহপাঠীরা তাঁকে কক্ষে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে দ্রুত নামিয়ে রামেক হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে নেওয়ার পর কিছু সময়ের মধ্যেই তাঁর মৃত্যু হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আমি বর্তমানে বাইরে আছি। একটি আত্মহত্যার খবর পেয়েছি। মতিহার থানার ওসি আমাকে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নগরীর মতিহার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি), মোঃ আবুল কালাম আজাদ বলেন, আমরা তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। বিষয়টি তাঁর পরিবারকে জানানো হয়েছে। অভিভাবক আসার পর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ঘটনার কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। পুলিশ বলছে, প্রাথমিকভাবে আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হলেও বিস্তারিত জানতে তদন্ত চলছে বলে জানান ওসি।
বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে তাঁকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (রামেক) নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত ছাত্রী লামিসা নওরিন পুষ্পিতা, তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৪/২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। তিনি ঝিনাইদহ জেলার বাসিন্দা।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বিকেলে সহপাঠীরা তাঁকে কক্ষে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে দ্রুত নামিয়ে রামেক হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে নেওয়ার পর কিছু সময়ের মধ্যেই তাঁর মৃত্যু হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আমি বর্তমানে বাইরে আছি। একটি আত্মহত্যার খবর পেয়েছি। মতিহার থানার ওসি আমাকে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নগরীর মতিহার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি), মোঃ আবুল কালাম আজাদ বলেন, আমরা তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। বিষয়টি তাঁর পরিবারকে জানানো হয়েছে। অভিভাবক আসার পর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ঘটনার কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। পুলিশ বলছে, প্রাথমিকভাবে আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হলেও বিস্তারিত জানতে তদন্ত চলছে বলে জানান ওসি।
মোসাঃ মিতু খাতুন